top of page

হাঁটু পাল্টে সাইকেলও চালাতে পারেন

  • সুস্বাস্থ্য প্রকাশনা
  • Jan 30, 2025
  • 6 min read

তথ্য সহায়তা : ডাঃ  সন্তোষ কুমার (বিশিষ্ট অর্থোপেডিক সার্জেন, বেলভিউ ক্লিনিক)


যারা সারা বছর রক্তচাপের সমস্যায় ভোগেন, সেই সব ব্যক্তিদের নিয়মিত রক্তচাপ মাপা উচিত। যদি ওপরের দিকে রক্তচাপ 140 বা তার বেশি এবং নীচের দিকে 90 বা তার বেশি হয়, তাহলে সেই ব্যক্তির উচ্চ রক্তচাপ আছে বলে ধরে নেওয়া হয়।



হাঁটুতে ব্যথা যেন সকলের কাছে এক রোজকার সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুরুষ, মহিলা নির্বিশেষে এমনকী অনেক কমবয়সীদের মধ্যে অর্থাৎ আট থেকে আশি, প্রায় সব বয়সেই ভালোরকম দেখা দিচ্ছে হাঁটুতে ব্যথা। বেশি বয়সের লোকজনের হাঁটুতে ব্যথা মানেই সকলে ধরে নেন তাঁরা বড়সড় রোগবালাইয়ের শিকার। হ্যাঁ, এমনই এক রোগ হল ‘অস্টিওআর্থ্রাইটিস’। আর এই অস্টিওআর্থ্রাইটিসের হাত ধরেই চলে আসে ‘হাঁটু প্রতিস্থাপন’ বা ‘নী রিপ্লেসমেন্টের’ কথা। একটা সময় ছিল যখন হাঁটু প্রতিস্থাপন ঘিরে ছিল হাজারো ভয় আর আতঙ্ক। ধরে নেওয়া হত এ আপারেশনের সাফল্য নির্ভর করে ভগবানের কৃপার ওপর। না, সেদিন বদলেছে। এখন হাঁটু প্রতিস্থাপন আর অতটা ভয়ের নয় এবং সার্জারির ফলাফলও যথেষ্ট ভালো।

মাঝবয়সে শরীরের ভার বইতে বইতে ক্লান্ত হয়ে শুয়ে যাওয়া হাঁটুতে বেশিরভাগই ব্যথা শুরু হয়। সকালের বাজার এমনকী অফিস-কাছারিতেও রোজ পৗঁেছতে পারেন না এরকমই একদল ব্যথাতুর আমজনতা। বেছে নিতে হয় ভি.আর.এস-কে। কিন্তু না। দিন অনেক বদলেছে। হাল আমলের চিকিৎসা ব্যবস্থার সাহায্যে প্রয়োজনে পুরোপুরিভাবে হাঁটু পাল্টে ফেলে আপনিও ফিরে যেতে পারেন রোজকার কাজকর্মে। খোদ কলকাতা শহরেই হাঁটু প্রতিস্থাপন এখন অনেক সহজ। সফল ও নিরাপদ।

নানা কারণে হাঁটু বা অন্য জয়েন্টের ব্যথা  হলেও এর প্রধান কারণ ‘অস্টিও আর্থ্রাইটিস’। মানুষ মাত্রেই প্রায় শিকার হন এ রোগের। তবে কারও বেশি, কারও কম। ওষুধ বা ফিজিওথেরাপিতে প্রথম প্রথম এ অসুখে কিছুটা আরাম পাওয়া গেলেও কিন্তু হাড়ের ক্ষয় কোনোভাবেই আটকানো যায় না। তাই ক্ষয় একটা স্তরে পৗঁেছনোর সঙ্গে সঙ্গে এমন ব্যথা হয় যা স্বা ভাবিক জীবনযাপনের ক্ষেত্রে এক বড়সড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর সেসময় হাঁটু বা হিপ জয়েন্ট প্রতিস্থাপন ছাড়া আর কোনও পথই খোলা থাকে না।

মাঝবয়সে কেন অস্টিও আর্থাইটিস রোগটির দেখা মেলে এ প্রশ্নও অনেকের। হাড়ের এই ডিজেনারেশন বা ক্ষয়জনিত অসুখ কিছু কিছু ক্ষেত্রে বংশগত। এছাড়া ছেলেবেলা থেকে কম শারীরিক পরিশ্রম ও খেলাধুলা বিমুখ হওয়া, ব্যায়াম না করা, আর সেই সঙ্গে গোলগাল-নাদুসনুদুস চেহারা তথা ওবেসিটির শিকার হলে হাঁটুর ক্ষয় শুরু হয় তাড়াতাড়ি। আর ক্ষয়ে যাওয়া হাঁটুর হাড় স্নায়ুর ওপর অর্থাৎ নার্ভরুটে চাপ দিলেই শুরু হয় নিদারুণ ব্যথা।

দীর্ঘস্থায়ী ব্যথার মূল কারণ হল অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিস জনিত ব্যথা। এ রোগে মেরুদন্ড শক্ত হয়ে গিয়ে সামনে-পিছনে রোগী ঝুঁতে পারে না। শাস-প্রশাসে ব্যাঘাত হয়। এরকম রোগী স্থায়ীভাবে পঙ্গু হয়ে যেতে পারে। ফিজিওথেরাপির সাহায্যে এক্ষেত্রে খুব একটা সুফল পাওয়া যায় না। তবে রোগটি যদি প্রাথমিক অবস্থায় ধরা পড়ে তবে রোগীকে কিছুটা সচল রাখা যায়। বলতে পারেন রোগকে কিছুটা ‘অ্যারেস্ট’ করা যায়। কিন্তু ‘কিওর’ করা সম্ভব নয়। বাংলা, ওড়িশা, বাংলাদেশে জিনগত কারণের জন্য এ রোগের বেশি দেখা মেলে। আর পিছনে কাজ করে যে জিন তা হল HLAB27।

মানুষের শরীর নামক যন্ত্রটি বেশ কিছু কোষ, স্নায়ু, মাংসপেশি, হাড়, রক্ত প্রভৃতি উপাদানের সমন্বয়ে তৈরি। মানুষের এই দেহযন্ত্রের এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হল হাড় বা বোন। হাঁটু ফুলে গিয়ে লাল হলে এবং বাতের জন্যও যদি হাঁটুতে ব্যথা হয় তাকে বলে ‘অস্টিওআর্থোসিস’। স্পন্ডাইলোসিস ও স্পন্ডিলাইটিস কথা দুটিকে অনেকে একই অর্থে ব্যবহার করে থকেন। কিন্তু এ দুটি কথার মধ্যে ফারাক অনেক। ‘স্পন্ডাইলোসিস’ হচ্ছে হাড়ের ‘ডিজেনারেটিভ চেঞ্জ’। বয়স বাড়ার সাথে স্বাভাবিকভাবে কিছু পরিবর্তন। আর স্পন্ডিলাইটিস হচ্ছে হাড়ের ইনফ্লামেটরি চেঞ্জ যা প্রদাহজনিত পরিবর্তন।

আমাদের দেশে বেশিরভাগ মানুষজনই আক্রান্ত হন প্রাইমারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসে। বয়স বাড়ার জন্য হাঁটুর যে ক্ষয় ও তার থেকে হওয়া বাতের সমস্যাকেই বলে প্রাইমারি অস্টিও আর্থ্রাইটিস। সেকেন্ডারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসের জন্য দায়ী দুর্ঘটনাজনিত ফ্র্যাকচার, লিগামেন্ট ইনজুরি, রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অ্যাঙ্কাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিসের মতো অসুখ। এসব অসুখগুলোর জন্য হাঁটুর জয়েন্টে দ্রুত ক্ষয় দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।


কিছু মানুষজনের মধ্যে জুভেনাইল রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা জিনগত অস্টিও আর্থ্রাইটিস হওয়ার সমস্যাও দেখা যায়। খুব কম বয়সেই এ সমস্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

প্রাইমারি বা সেকেন্ডারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ বা উপসর্গ হিসাবে দেখা যায় ব্যথা, ফোলা, চলাফেরায় প্রবল কষ্ট।এছাড়া হাঁটুতে মড়মড় আওয়াজ হওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যায়। তবে কোনও ব্যক্তি অস্টিও আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত হওয়া মাত্রই তাকে ‘নী-রিপ্লেসমেন্ট’ করতে বলা হয় না। প্রথমে অ্যান্টি ইনফ্লামেটরি ড্রাগ, সেঁক দেওয়ার মাধ্যমে রোগের বেড়ে চলার প্রবণতাকে ঠেকিয়ে রাখার চেষ্টা করা হয়।

প্রাইমারি অস্টিও আর্থ্রাইটিস বা বয়সজনিত অস্টিও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা একযোগে দুই হাঁটুতেই হয়। কিন্তু সেকেন্ডারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসের সমস্যা যেকোনো একটি হাঁটুতে দেখা দিতে পারে।

 

অস্টিও আর্থ্রাইটিসের জটিল অবস্থায় হাঁটু বেঁকে যাওয়া, হাঁটু শক্ত হয়ে ভাঁজ না হওয়ার মতো ঘটনাও ঘটে। হাঁটু বেঁকে গেলে, হাঁটু ভাঁজ করতে না পারলে শরীরের ভারসাম্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকে। ফলে চলাফেরা করার সময় রোগীরা মাটিতে পড়ে যেতে পারেন। আর এর থেকে আরও বড় দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই হাঁটু বেঁকে গেলে, হাঁটু ভাঁজ করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে গেলে তখন রোগী চলচ্ছক্তিহীন হয়ে পড়ে। এমন অবস্থায় অতি অবশ্যই হাঁটু প্রতিস্থাপন করিয়ে নেওয়া উচিত।

এ সময় ডাক্তারবাবুরা হাড়ে হাড়ে কেমন ঘষা লাগছে (এক্স-রে অবজারভেশন), হাঁটু কতটা বেঁকে গেছে, হাঁটুর সচলতায় কতটা বাধা সৃষ্টি হচ্ছে (ক্লিনিক্যাল অবজারভেশন) এবং ক্ষতিগ্রস্ত হাঁটুর জন্য রোজকার জীবনযাত্রায় কতটা সমস্যা হচ্ছে এবং বেঁকে যাওয়া হাঁটুর জন্য পড়ে যাবার সম্ভাবনা বা ঝুঁকি (ইনস্টেবিলিটি) কতটা তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখেন এবং সেইমতো সিদ্ধান্ত নেন।

নী-রিপ্লেসমেন্ট করানোর ব্যাপারে নিশ্চিত হতে সার্জেনরা যেসব পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে থাকেন তা হল প্রাথমিকভাবে হাঁটুর এক্স-রে (এপি, ল্যাটারাল, স্কাইলাইন) এবং নানা ধরনের রক্ত পরীক্ষা যেমন কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট, ইউরিয়া, ক্রিয়েটিনিন, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, সুগার, টি-ফোর, টি.এস.এইচ, ব্লাড গ্রুপ ও আর.এইচ ফ্যাক্টর। একই সঙ্গে ইউরিন রুটিন এক্সামিনেশন এবং কালচার অ্যান্ড সেনসিটিভিটির টেস্ট এবং ইকোকার্ডিওগ্রাম, ই.সি.জি, চেষ্ট এক্স-রে। হাঁটুর এক্স-রে থেকে সার্জেনরা দেখে নেন হাঁটুতে কতটা কার্টিলেজ আছে এবং হাঁটু কতটা বেঁকে গিয়েছে। স্কাইলাইন হাঁটুর এক্স-রে থেকে সার্জেনরা দেখে নেন মালাইচাকির নীচের অংশের বর্তমান অবস্থা।

প্রাইমারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসের ক্ষেত্রে সাধারণত একইসঙ্গে দুটো হাঁটুতেই অপারেশন করা হয়। তবে একসঙ্গে দুটি না করলে শুধু যে হাঁটুতে প্রতিস্থাপন করা হয় সেই পা-টিই সোজা হয়। অন্য পা বেঁকেই থাকে। এমন অবস্থায় হাঁটাচলা করা খুব সমস্যাবহুল হয়ে দাঁড়ায়। তাই প্রাইমারি অস্টিও আর্থ্রাইটিসের রোগীর দুটি হাঁটু ক্ষতিগ্রস্ত হলে একযোগে দুটি পায়েই নী-রিপ্লেসমেন্ট করানোর পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকেরা।

নী-রিপ্লেসমেন্টের আধুনিক পদ্ধতি সম্পর্কে বলতে গেলে বলতে হয়, প্রচলিত পদ্ধতি হল ‘ফিক্সড বিয়ারিং পদ্ধতি’। এক্ষেত্রে কিছুটা বাধো বাধো ভাব থাকে। কিন্তু চিকিৎসক যত অভিজ্ঞ হন ততই তিনি ‘মিনিম্যাল ইনভেসিভ’ সার্জারি করার চেষ্টা করেন। অর্থাৎ সোজা করে বললে বলা যায় অল্প কাটা-ছেঁড়া করে রিপ্লেসমেন্ট করার চেষ্টা করেন। ক্ষত ছোট হলে রোগীর পেশির ক্ষমতাও দ্রুত ফিরে আসতে থাকে। এখন সমস্ত অপারেশন হয় কম্পিউটার অ্যাসিসটেড পদ্ধতি বা কম্পিউটারের সাহায্যে। ফলে অপারেশনে ভুলত্রুটি কম হয়। প্রতিস্থাপন অত্যন্ত নিখুঁত হয়। প্রতিস্থাপনের আগে রোগীর হাঁটুর এম.আর.আই করা হয়। তাই আগে থেকেই রোগীর হাঁটুর আকার অনুযায়ী ইমপ্ল্যান্ট তৈরি করে রাখা হয়। আর এজন্য অপারেশনের পরে রোগীকে তেমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় না।

ইমপ্ল্যান্ট বা প্রস্থেসিসেও এসেছে বিরাট পরিবর্তন। এখন প্রস্থেসিসের উপাদানে ব্যবহৃত হচ্ছে টাইটেনিয়াম-নাইওরিয়াম যা সেরামিকের মতোই আচরণ করে। এছাড়াও রয়েছে ‘রোটেটিং প্ল্যাটফর্ম নী’ যা প্রায় আসল হাঁটুর মতোই স্বাভাবিক কাজ করে। এরজন্য হাঁটাচলা অনেক মসৃণ হয়। এ ধরনের ইমপ্ল্যান্ট দ্রুত আলগা হয়ে যায় না।

আধুনিক ইমপ্ল্যান্ট কতদিন স্থায়ী হয় এ প্রশ্নও অনেকের। আধুনিক যে ইমপ্ল্যান্ট অপারেশন ব্যবহৃত হচ্ছে তার স্থায়িত্ব প্রায় 25 থেকে 30 বছর।

কম্পিউটার অ্যাসিসটেড টেকনোলজি চালিত অর্থোপাইলট সিস্টেমের সাহায্যে অপারেশন হলেও কিন্তু উন্নত প্রযুক্তির সঙ্গে চিকিৎসকের দক্ষতা ও পারদর্শিতা খুবই প্রয়োজন। উন্নত প্রযুক্তি এবং দক্ষ ও পারদর্শি সার্জেনদের মিলিত অবস্থাতেই জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট প্রায় একশো শতাংশ সফল হতে পারে। নতুবা নয়।


অপারেশনের পর রোগীকে মোটামুটি হাসপাতালে চার থেকে পাঁচ দিন থাকতে হয়। অপারেশনের পরদিনই হাসপাতালে রোগীকে ‘ওয়াকারের’ সাহায্যে হাঁটানো হয়। এক্ষেত্রে পায়ের পেশির সম্পূর্ণ জোর ফিরে আসতে প্রায় মাস দুয়েক সময় লাগে। অপারেশনের পর অবশ্য প্রস্থেসিস বা ইমপ্ল্যান্টের জন্য রোগীর কিছু কিছু সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেহেতু ইমপ্ল্যান্ট ফরেন বডি বা শরীরের বাইরের অংশ তাই এটিকে আপন করে নিতে শরীরের কিছুটা সময় লাগে। আর এ কারণেই অপারেশনের পরে সার্জারির জায়গা ফুলে যাওয়া, লাল হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হয়। কখনও কখনও অপারেশনের জায়গা বেশ গরম হয়ে যায়। তবে এগুলো সবই স্বাভাবিক ব্যাপার। এগুলো কোনো সমস্যাই নয়। এ সময় পেশি দুর্বলতা কাটানোর জন্য ফিজিওথেরাপি বা ব্যায়াম করতে হবে। প্রদাহ কমাবার জন্য বরফ সেঁক দিতে হবে। এক্ষেত্রে অনেকে ভুল করে যে গরম সেঁক দেন, তা কিন্তু ঠিক নয়।

রোগীকে অপারেশনের পর চিকিৎসকের কাছে ফলোআপ ঠিকমতো করানো উচিত। হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সেলাই কাটাতে আসতে হয়। এছাড়া চিকিৎসক ফলোআপের জন্য একটা সময়ও নিতে পারেন। কারণ বয়স্কদের আপারেশনের পর সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ঘাটতি সমস্যা হিসাবে দেখা দিতে পারে। এ ধরনের সমস্যা হচ্ছে কি না তা চিকিৎসক একবার দেখে নেন এবং সেজন্য প্রয়োজনীয় পরীক্ষার কথা বলে থাকেন।

সবশেষে আসি, প্রতিস্থাপন সফল হবার পর রোগী কী কাজ করবেন, আর কী করবেন না সে কথায়। উত্তরে বলতে হয় হাঁটু প্রতিস্থাপন সফল হলে রোগী স্বাভাবিকভাবে হাঁটাচলা করার পাশাপাশি প্রয়োজনে সিঁড়ি ভাঙতে পারবেন। সাঁতার কাটা, সাইকেল চালানোতেও থাকবে না কোনো বিধিনিষেধ। ইচ্ছে করলে পাহাড়েও বেড়াতে যেতে পারবেন। তবে মলত্যাগ করার সময় ‘কমোড’ ব্যবহার করবেন। ইন্ডিয়ান টয়লেট ব্যবহার করবেন না।

আর যে কাজগুলো একদমই করা উচিত হবে না তা হল লাফালাফি, স্কিপিং এবং দৌড়াদৌড়ি করা। এসব কাজ থেকে নিজেকে সরিয়ে রাখবেন শত হাত দূরে।

এরকম নিয়মকানুন মেনে চললে আপনিও দীর্ঘদিন সুস্থ, সবল, নীরোগ শরীর নিয়ে বেঁচে থাকবেন এবং তারিয়ে তারিয়ে পৃথিবীকে উপভোগ করবেন।


 
 
 

1 Comment


mrinmoy chowdhury
mrinmoy chowdhury
Apr 25, 2025

বলছিলাম মেডিসিনের কিছু নাম দিলে খুব ভালো হতো যা আমরা খুব উপকৃত হতে পারতাম

Like
Suswastha.png

Address: 2A Mandeville Gardens. Kolkata 700019

Email : suswastha9@gmail.com 

Follow us on

  • Facebook

© Copyright 2025, All rights reserved by Suswastha Publication. Developed by Simpact Digital (Unit of Debi Pranam)

bottom of page